শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:২২ PM
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাখতে সরকার বদ্ধ পরিকর- ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান এমপি বলেছেন, আজকের বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি একটি কাংখিত বিষয়, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার এদেশে যে কোন মূল্যে বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতার মূলনীতি যুক্ত করে মূলত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর করে গেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আজ বেলা ১১.০০ টায় জুম প্ল্যাটফরমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন “ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ” শীর্ষক প্রকল্প আয়োজিত “ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক গোপালগঞ্জ জেলার আন্ত:ধর্মীয় কর্মশালায়” প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের পৃথিবীতে যে দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী যত বেশী নিরাপদও ভালো অবস্থায় আছে সে দেশকে ততটা সভ্য ও উন্নত দেশ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়সমূহের কল্যাণ ও নিরাপত্তা বিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আমরা একটি সভ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও জাতি-গোষ্ঠির মানুষের সমন্বয়ে বৈচিত্রময় এক শান্তিপ্রিয় দেশ। দেশের সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন, বিধি-বিধান স্বাধীন ও মুক্ত পরিবেশে প্রতিপালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের মানুষ ধর্মভীরু বা ধর্মের প্রতি সংবেদনশীল। জনগণের ধর্মের প্রতি এই আবেগ-অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশি-বিদেশী অপশক্তির মদদে গোষ্ঠীবিশেষ দেশকে নিয়ে সর্বদা চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এদের বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে, শান্তির বার্তা শোনায়। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিষয়টি কোন ধর্মই সমর্থন করেনা। এটি মানবতা বিরোধী অপরাধ। প্রত্যেক ধর্মের অনুসারির নিকট তাঁর ধর্ম শ্রেষ্ঠ, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র বিষয়। এছাড়া প্রতিটি ধর্মের মূল বিষয়গুলোতে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। সে সাদৃশ্যসমূহকে অবলম্বন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি বলেন, ধর্মের নামে উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ একটি ঘৃন্য বিষয়। বাংলাদেশের মাটিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। সকলের সহযোগিতায় ধর্মীয় উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদকে প্রতিহত করা হবে। এক্ষত্রে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক বিরোধী কথা বললে সমাজে তার ইতিবাচক সুফল পাওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, অভিভাবকদের সন্তানের সাথে পারস্পরিক হৃদ্যতা বাড়াতে হবে। পবিবারকে সময় দিতে হবে। তাদের চলাফেরার প্রতি নজর দিতে হবে। তাহলে সন্তানেরা জঙ্গিবাদ বা উগ্রবাদী কর্মকান্ডে জড়িত হবেনা।

(ভার্চুয়াল)এ সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নুরূল ইসলাম, পিএইচডি, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল্লাহ আল শাহিন, গোপালগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিগণ, শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো নিউজ

© All rights reserved © 2020 bd-bangla24.com

Theme Customized By Subrata Sutradhar