রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:২৫ PM
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

আনুশকাহ ধর্ষণ-হত্যা, আদালতে সাক্ষী দিলেন দিহানের বাসার দারোয়ান

ঢাকার কলাবাগান এলাকায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ডের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকাহ নূর আমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসার দারোয়ান মো. দুলাল মিয়া আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন দুলাল মিয়াকে আদালতে হাজির করে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ওই জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে ১০ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দিহানের ডিএনএ টেস্টের অনুমতি দেন। এ মামলায় গত ৮ জানুয়ারি দিহান আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই দিন জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৭ জানুয়ারি ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠে। পরে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দিহানকে একমাত্র আসামি করে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রাজধানীর কলাবাগান থানায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই শিক্ষার্থীর মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হন। এরপর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করেন এবং কোচিং থেকে নোট আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে দিহান ওই শিক্ষার্থীর মাকে ফোন করে জানান যে, তার মেয়ে দিহানের বাসায় এসেছে। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। স্কুলছাত্রীর মা হাসপাতালে পৌঁছে কর্মচারীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, আসামি নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো নিউজ

© All rights reserved © 2020 bd-bangla24.com

Theme Customized By Subrata Sutradhar