বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
করপোরেশনের দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত একজন সংগ্রামী নারী ব্রয়লার মুরগীর কাটা মাংস বিক্রেতার গল্প নানা আয়োজনে জয়ের জন্মদিন উদযাপন ভিকারুননিসার প্রিন্সিপালের অপসারণ চায় বিএনপি প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ আইইবির ইভ্যালিতে ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে যমুনা গ্রুপ জনপ্রশাসন পদক পেলো ৩২ কর্মকর্তা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান লকডাউনে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৫৫ নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভিকে শান্তনা দিতে তার বাসায় শামীম ওসমান
Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১, ০৯:১৩ PM
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাবাস

যাবজ্জীবন সাজা মানে ৩০ বছর কারাবাস বলে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে কোনো মামলার রায়ে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকলে যাবজ্জীবন সাজা ‘আমৃত্যু কারাদণ্ড’ বলে বিবেচিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে ১২০ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বছরের ১ ডিসেম্বর ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড’ বলে এ সংক্রান্ত রিভিউ আবেদনের রায় দেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

সেদিন আদালতে রিভিউ অবেদনের পক্ষে শুনানি করেছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম (প্রয়াত)।

এছাড়া আদালতে এ মামলায় অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে মতামত তুলে ধরেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ, অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান ও আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন।

গত বছরের ১১ এপ্রিল ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড’ এ সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ শুনানিতে ‘যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস’ হবে কি না সে বিষয়ে আইনি মতামত তুলে ধরতে চার সিনিয়র আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ দেন আদালত।

২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর একটি হত্যা মামলায় দুই আসামি আতাউর রহমান মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। এসব আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টের রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

হাইকোর্টের সে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল বিভাগে আবেদন জানান।

২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে ‘আমৃত্যু কারাবাস’সহ সাত দফা অভিমত দেন। এরপর আপিলের ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো নিউজ

© All rights reserved © 2020 bd-bangla24.com

Theme Customized By Subrata Sutradhar