মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
করপোরেশনের দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত একজন সংগ্রামী নারী ব্রয়লার মুরগীর কাটা মাংস বিক্রেতার গল্প নানা আয়োজনে জয়ের জন্মদিন উদযাপন ভিকারুননিসার প্রিন্সিপালের অপসারণ চায় বিএনপি প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ আইইবির ইভ্যালিতে ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে যমুনা গ্রুপ জনপ্রশাসন পদক পেলো ৩২ কর্মকর্তা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান লকডাউনে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৫৫ নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভিকে শান্তনা দিতে তার বাসায় শামীম ওসমান
Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১, ১১:২৫ PM
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে
????????????????????????????????????

শেষ মুহূর্তে কমে গেছে গরু ও খাসির দাম

রাত পোহালেই ঈদ। তাই কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে হতাশার সুর ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষেরই। রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে তুলনামূলকভাবে একটু কমে গেছে গরু ও খাসির দাম। হাটে ছোট আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৫০ হাজার টাকায়। মাঝারি আকারের গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১ লাখে। আর একটু বড় আকারের গরুর দাম পড়ছে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখের মধ্যে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরীর কোরবানির পশুর বিভিন্ন হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এদিকে বৃষ্টিতে হাট এলাকা কাদামাটি আর পশুর মলমূত্রে একাকার হয়ে গেছে। হাটে বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতাদের তেমন দেখা নেই।

শেষ মুহূর্তের কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই হতাশা বিরাজ করছে। একদিকে বিক্রেতারা বলছেন- তারা শেষ সময়ে বিক্রির আশায় কম দামে পশু ছেড়ে দিচ্ছেন। আর বিক্রেতাদের বক্তব্য- শেষ সময়ে কিনতেই হবে এমন ভেবে বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন।

 

তবে বিপদে পড়েছেন রাজধানীর বিক্রেতারা। কারণ একদিকে তাদেরকে বিক্রি করতেই হবে, না হলে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আবার ভাড়ার খরচ দিতে হবে। এছাড়া পশুগুলো ফেরত নিয়ে গেলে পরবর্তী ঈদ ছাড়া এসব পশুর উপযুক্ত ক্রেতাও পাওয়া যাবে না।

পশু বিক্রেতাদের ভাষ্য, প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পাননি। তাতে যা আয় হয়েছে তা দিয়ে গরু লালন-পালনের ব্যয় উঠবে না বলেও আক্ষেপ করেন অনেকে। অনেকেই আবার শঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, যে পরিমাণ ক্রেতা আছে তাতে পশুগুলো বিক্রি হবে বলে মনে হচ্ছে না।

 

হাট ইজারা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সোমবার সারারাত থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় হাটে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। সকালেও বৃষ্টির কারণে প্রত্যাশিত ক্রেতা আসেনি। এই পরিস্থিতিতে হাটে আনা বেশির ভাগ গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে৷ আজ দুপুরের পরে ক্রেতারা হাটে আসতে শুরু করেছেন। এই সময়ে যারা হাটে এসেছেন, তারা তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পারছেন।

 

তবে কেউ কেউ বলেন, ‘প্রথম দুদিন হাটে এসে মনে হচ্ছিল, এবারও হয়তো পছন্দের গরু কিনতে পারব না। বিক্রেতারা কয়েক গুণ বেশি দাম চাইছিলেন। তবে আজকে যে গরুটা কিনলাম, আগের মতো দাম হাঁকালে কিনতেই পারতাম না।’

বিক্রেতাদের মতে, লোকসান হলেও বিক্রি করেছি। কারণ গরু ফেরত নিলে আরও লোকসান হয়। আর কোরবানির পর গরুর আর দামও পাওয়া যায় না।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরো নিউজ

© All rights reserved © 2020 bd-bangla24.com

Theme Customized By Subrata Sutradhar